আমাদের আজকের আলোচ্য দশম শ্রেণির বাংলা পাঠ্য কোনি উপন্যাস। আমরা মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাস থেকে প্রশ্ন ও উত্তর দেখে নেব। আমরা ইতিপূর্বে তোমাদের সাহিত্য সঞ্চয়ন বইয়ের সমস্ত পাঠ্যের প্রশ্নোত্তর আলোচনা করেছি। সেগুলি পেতে একেবারে নীচে দেওয়া লিংকে ক্লিক কর। তোমাদের প্রতিটি ধাপের পরীক্ষার সাজেশনমূলক প্রশ্নের জন্য এই ওয়েবসাইটে নিয়মিত নজর রাখো। এছাড়া আমাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপও ব্যবহার করতে পারো।
কোনি উপন্যাস – ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর
১. কোনি উপন্যাস অবলম্বনে কোনির পারিবারিক জীবনের পরিচয় দাও।
উঃ প্রখ্যাত সাহিত্যিক মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কনকচাঁপা পাল বা কোনি একজন দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তাদের পরিবারকে দরিদ্র বললে কম বলা হবে, বরং বলা যেতে পারে, ‘খেয়ে-পরে বেঁচে থাকাটা যাদের কাছে বিলাসিতা’, তেমনই একটি পরিবারের সন্তান কোনি।
কোনিদের বাসস্থান শ্যামপুকুর বস্তিতে। সাত ভাই-বোনের মধ্যে কোনি চতুর্থ। বড় ভাই কমল রাজাবাজারে একটা মোটর গ্যারেজে কাজ করে মাসে শ’ দেড়েক টাকা উপার্জন করে, তাতেই তাদের পরিবারের অন্ন সংস্থান হয়; মেজো ভাই ট্রেনের ইলেকট্রিক তারে প্রাণ হারিয়েছে আর সেজো থাকে পিসির বাড়িতে কাঁচরাপাড়ায়। কোনির পরেও রয়েছে দুই বোন এবং এক ভাই। টি. বি রোগে আক্রান্ত হয়ে কোনির বাবা আগেই গত হয়েছেন। মা আর বাকি ভাইবোনদের সঙ্গে কোনি থাকে বস্তির স্যাঁতসেঁতে ঝুপড়িতে।
একসময় কমলেরও শখ ছিল নামকরা সাঁতারু হওয়ার, অ্যাপেলোতে প্রশিক্ষণ নিত সে। কিন্তু তার বাবার অকাল মৃত্যুতে সাঁতার শেখা আর হয়ে ওঠে না, এমনকি তাকে স্কুলও ছাড়তে হয়। ইচ্ছে থাকলেও কোনিকে সাঁতার শেখানোর মতো সামর্থ্য তার ছিল না। বাবার পথ অনুসরণ করে বড় ভাই কমলও টি. বি রোগে মারা যায়। কোনিদের পরিবার চরম দুর্দিনের মুখোমুখি হয়। এইসময় ক্ষিতীশ দেবদূতের মতো তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল এবং কোনির প্রশিক্ষণ সহ তাদের পরিবারের অন্ন সংস্থানের বন্দোবস্ত করে দিয়েছিল।
২. কোনির জীবনে ক্ষিতিশের অবদান আলোচনা কর।
অথবা ক্ষিদ্দা কীভাবে কোনির জীবনে প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল সে সম্পর্কে আলোচনা কর।
উত্তরঃ বিখ্যাত সাহিত্যিক মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাসে কোনির ‘ক্ষিদ্দা’ ওরফে ক্ষিতীশ সিংহ এক অনন্যসাধারণ ব্যক্তিত্ব। এক অতি দরিদ্র পরিবারের মেয়ে থেকে ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন সাঁতারু হওয়ার যাত্রায় যে মানুষটি কোনির বন্ধু, দার্শনিক এবং পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেছিলেন, তিনি হলেন এই ক্ষিদ্দা অর্থাৎ ক্ষিতীশ সিংহ।
খেলাধুলার প্রতি কোনির আগ্রহ ছিল ঠিকই কিন্তু তাকে সাঁতার শেখানোর মতো সামর্থ্য ছিলনা তার পরিবারের। ক্ষিতীশই কোনির সাঁতার-প্রতিভার সন্ধান পেয়েছিলেন এবং নিজে থেকেই তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেই অর্থে কোনি হল ক্ষিদ্দারই আবিষ্কার। কোনি যে একজন সাঁতারু এবং তার ‘আসল লজ্জা জলে এবং আসল গর্বও জলে’, একথা ক্ষিদ্দাই কোনিকে শিখিয়েছিলেন।
ক্ষিদ্দা কোনিকে কেবল সাঁতারের প্রশিক্ষণই দেননি, তিনি কোনিকে নানাভাবে উৎসাহিত করেছিলেন। কোনিকে তিনি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদদের জীবন সংগ্রামের কাহিনি শোনাতেন। তার মতো দারিদ্র-পীড়িত অতিসাধারণ ঘরের মেয়েরাও যে জীবনে সফল হতে পারে, ক্ষিদ্দাই কোনিকে সেই স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। ক্ষিদ্দার জন্যই কোনির মধ্যে এক অদম্য লড়াকু মানসিকতা তৈরি হয়েছিল। ক্ষিদ্দা কোনিকে দিয়ে যেমন কঠোর অনুশীলন করিয়েছেন তেমনি বিভিন্ন সময়ে কোনির ভিতরে বারুদ ভরে দিয়েছেন। অমিয়া, হিয়ার প্রতি কোনির যে বিরূপ মনোভাব ছিল, ক্ষিদ্দা সেটাকে আরো উসকে দিয়েছেন। কোনির তেজ তিনি ভোঁতা হতে দেননি, বরং তাতে আরো শান দিয়ে গেছেন। কারণ, তিনি জানতেন এই তেজটাই সাঁতার কাটার সময় কোনিকে ক্ষিপ্র করে তুলবে। তাই বলা যায়, ক্ষিদ্দার উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ‘হার না মানার মন্ত্র’ কোনিকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে গিয়েছিল।
৩. “জোচ্চুরি করে আমাকে বসিয়ে রেখে এখন ঠেকায় পড়ে এসেছ আমার কাছে”- কোনির এই অভিমানের কারণ কী? এর পরবর্তী ঘটনা কোনি উপন্যাস অনুসারে সংক্ষেপে বর্ণনা কর।
উত্তরঃ বিখ্যাত সাহিত্যিক মতি নন্দীর ‘কোনি’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কোনি অর্থাৎ কনকচাঁপা পাল ক্লাব কর্তাদের ষড়যন্ত্রের শিকার। জাতীয় সাঁতার চ্যাম্পিয়নশিপে যোগদান করার জন্য মাদ্রাজে গিয়েও সে কোনো ইভেন্টে নামতে পায়নি। নানা অজুহাতে তাকে কেবল বসিয়ে রাখা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বাংলার এক প্রতিযোগী অমিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে কোনির ডাক পড়েছিল। এইজন্য কোনির অভিমান হয়েছিল।
মেয়েদের ৪×১০০ মিটার রিলে রেসে নামার জন্য কোনিকে ডাকতে এসেছিল হিয়া। কিন্তু এতদিন ধরে তাকে বিনা কারণে বসিয়ে রাখা হয়েছে বলে কোনি ক্ষুব্ধ, মর্মাহত। সে কোনোমতেই রিলে রেসে নামতে রাজি হয়না। হিয়া কোনিকে বোঝায় যে বেঙ্গল টিমের জন্যই তাকে প্রয়োজন। কোনির অভিযোগ, হিয়া নিজের সোনার মেডেল নিশ্চিত করার জন্যই তাকে ডাকতে এসেছে। উত্তেজিত হিয়া কোনিকে চড় মারার জন্য হাত তুললে কোনিও তাকে মারতে উদ্যত হয়। কোনির কস্ট্যুম ছিল না, হিয়ার অতিরিক্ত কস্ট্যুমটা পরেই সে প্রস্তুত হয়।
জলে নামার ঠিক আগের মুহূর্তে কোনিকে অবাক করে দিয়ে সেখানে হাজির হন ক্ষিদ্দা। ‘ফাইট, কোনি ফাইট’ ধ্বনিতে গর্জে ওঠেন তিনি। এবার সুইমিং পুলের জলে নিজের সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করার মনোবল ফিরে পেল সে। রমা জোশির থেকে তিন সেকেন্ড পরে জলে নেমেও দুর্বার গতিতে এগিয়ে গিয়ে আগেই বোর্ড স্পর্শ করে কোনি।
৪. ‘কোনি’ উপন্যাস অবলম্বনে ক্ষিতীশ সিংহের চরিত্র আলোচনা কর।
উত্তরঃ মতি নন্দী রচিত কোনি উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র ক্ষিতীশ সিংহ বা ক্ষিদ্দা ছিলেন জুপিটার ক্লাবের সাঁতার প্রশিক্ষক। উপন্যাসটি পাঠ করে তার চরিত্র সম্পর্কে যে ধারণা জন্মায় তা হল –
ক) যথার্থ শিক্ষক – একজন যথার্থ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কঠোর অধ্যবসায়ের পাশাপাশি নিয়মানুবর্তিতার শিক্ষাও দেন। ক্ষিতীশ সিংহ ছিলেন তেমনি একজন শিক্ষক। ফাঁকি দিয়ে বেশি দূর এগোনো যায় না, এটা তিনি মনে করতেন। আর এজন্যই তিনি জুপিটারের সুইমারদের অপ্রিয় পাত্র হয়ে উঠেছিলেন।
খ) আপোষহীন সততা – তার নিজের ক্লাব জুপিটারেই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রচিত হয়েছিল। ক্লাবের কয়েকজন কর্মকর্তা সুইমারদের সঙ্গে অসাধু চক্রান্ত করে ক্ষিতীশকে ক্লাবছাড়া করার বন্দোবস্ত করেছিল। নিজের প্রাণাধিক প্রিয় ক্লাবকে ছেড়ে যেতে কষ্ট হলেও ক্ষিতীশ মাথা নত করে অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করেননি। এমনকি, জুপিটার থেকে বিতাড়িত হবার পরেও তিনি মনেপ্রাণে জুপিটারকে ভালোবেসে গেছেন। এরকম সততা সত্যিই বিরল।
গ) ক্রীড়াপ্রেমী – ক্ষিতীশ একজন প্রকৃত ক্রীড়াপ্রেমী ছিলেন। তিনি সম্পূর্ণ বিনা স্বার্থে কোনিকে সাঁতার শেখানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কোচ হিসেবে পারিশ্রমিক পাওয়া দূরে থাক, কোনির জন্য তাকেই অর্থ ব্যয় করতে হয়েছিল। আবার, কোনি মেডেল জিতলে সেই সম্মানের ভাগীদার হওয়ার লোভও তার ছিল না। কারণ, ক্ষিতীশের মতে, তিনি যেহেতু কোনিকে অ্যাপোলোর ছত্রছায়ায় প্রশিক্ষণ দিতেন, তাই কোনির পাওয়া মেডেলের দাবিবার অ্যাপেলো ক্লাব।
ঘ) স্নেহশীল – কোনির প্রশিক্ষক হিসেবে ক্ষিতীশ যতখানি কঠোর ছিলেন, তার অভিভাবক হিসেবে ততটাই স্নেহশীল ছিলেন।
ঙ) প্রেরণাদাতা – ক্ষিতীশ কোনিকে শুধুমাত্র প্রশিক্ষণই দেননি, তাকে সফলতার মন্ত্রে দীক্ষিত করেছিলেন। তিনি কোনিকে বিশ্বসেরা ক্রীড়াবিদদের জীবন সংগ্রামের কাহিনি শোনাতেন আর কোনির মরমে এই একটা কথা গেঁথে দিয়েছিলেন- “সব পারে, মানুষ সব পারে।”
সর্বোপরি, একজন ক্রীড়া-প্রশিক্ষক হিসেবে ক্ষিতীশ মনে করতেন, খেলাধুলা মানে বিলাসিতা নয়- খেলাধুলা হল সাধনা। খেলোয়াড়দের সঠিক পথে চালিত করে তাদেরকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথপ্রদর্শক ছিলেন ক্ষিতীশ সিংহ।
তোমরা দেখছ কোনি উপন্যাসের প্রশ্ন উত্তর
৫. “ওইটেই তো আমি রে, যন্ত্রণাটাই তো আমি”- বক্তা কে? উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।
উত্তরঃ মতি মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাসে কোনির প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ সিংহ একথা বলেছেন।
মাদ্রাজে আয়োজিত ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে শেষ মুহূর্তে জলে নামার সুযোগ পেয়েছিল কোনি। সাঁতারু হিসেবে অংশগ্রহণ করেও তাকে নানা অজুহাতে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। মেয়েদের রিলে রেসের আগে অমিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বিনা প্রস্তুতিতে জলে নামতে হয়েছিল। এতদিন দর্শকাসনে বসে থাকার পর যখন সে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পেল তখন নিজের সর্বশক্তি দিয়ে রমা জোশীকে হারিয়ে বাংলার জয় নিশ্চিত করেছিল কোনি। জল থেকে উঠে ক্ষিদ্দাকে নিজের শারীরিক কষ্টের কথা জানালে ক্ষিদ্দা বলেছিলেন, “ওইটেই তো আমি রে, যন্ত্রণাটাই তো আমি”।
আসলে, প্রশিক্ষক হিসেবে ক্ষিতীশ সিংহের মূল মন্ত্র ছিল অনুশীলন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে শরীরকে ঘষে ঘষে শানিয়ে তুললে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। তিনি কোনির প্রশিক্ষণে এতটুকু খামতি রাখেন নি। কখনো ভয় দেখিয়ে কখনো বা খাবার লোভ দেখিয়ে তিনি কোনিকে দিয়ে সাধ্যাতীত পরিশ্রম করিয়েছিলেন। তারই ফল কোনি পেয়েছিল মাদ্রাজে ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে। এইজন্য ক্ষিতীশ বলেছিলেন, “যন্ত্রণাটাই তো আমি”।
৬. “অবশেষে কোনি বাংলা সাঁতার দলে জায়গা পেল।”- কোনি কীভাবে বাংলা সাঁতার দলে জায়গা পেল তা সংক্ষেপে লেখ।
উত্তরঃ মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাসে কোনির সাঁতার কাটার শুরু গঙ্গার জলে। সেখানেই ক্ষিতীশের চোখে পড়েছিল সে। ক্ষিতীশ কোনিকে যথাযোগ্য প্রশিক্ষণ দিয়ে একজন ভালো মানের সাঁতারু তৈরি করেছিল এবং শেষপর্যন্ত সে বাংলা সাঁতার দলে জায়গা পেয়েছিল। কিন্তু কোনির চলার পথ মোটেও মসৃণ ছিল না, তাকে বহু বাধা অতিক্রম করতে হয়েছিল।
কোনির সাঁতারু হওয়ার পথে মূলত দু’রকমের প্রতিবন্ধকতা ছিল। প্রথমটা তার ব্যক্তিগত এবং দ্বিতীয় ছিল ক্ষিতীশ-কেন্দ্রিক। কোনি একজন বস্তির মেয়ে। তাই স্বাভাবিকভাবেই অন্যান্য সুইমার এবং ক্লাব-কর্মকর্তাদের অবজ্ঞার পাত্রী ছিল সে। তবে, কোনিকে বাংলার দলে না নেওয়ার মূল কারণ ছিল জুপিটার ক্লাবের ক্ষিতীশ-বিরোধী মনোভাব। হিয়ার প্রশিক্ষক প্রণবেন্দু বিশ্বাসই প্রথম কোনিকে দলে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। তিনি নির্বাচনী সভায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “কনকচাঁপা পালকে বাংলা দলে রাখতে হবে”।
কোনি যে ক্লাবকর্তাদের দলাদলির শিকার, একথা তিনি জানতেন। কোনি হিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়া সত্বেও প্রণবেন্দু বাংলা দলে কোনিকে নিতে চেয়েছিলেন কারণ, তিনি জানতেন মহারাষ্ট্রের রমা যোশীর যোগ্য জবাব হবে কনকচাঁপা পাল। আসলে, কোনির যোগ্যতা সম্পর্কে প্রণবেন্দুর মনে বিন্দুমাত্র সংশয় ছিল না। বরং তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন যে, কোনি বাংলা দলে স্থান পেলে চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার একটা সম্ভাবনা থাকবে। যাইহোক, ধীরেন ঘোষ, বদু চাটুজ্যেরা প্রণবেন্দুর প্রস্তাব মানতে অস্বীকার করলে তিনি বলেন যে, কোনিকে না নেওয়া হলে বালিগঞ্জ ক্লাবও ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে কোনো সুইমার পাঠাবে না। এর ফলে ক্ষিতীশ-বিরোধী গোষ্ঠী কার্যত মাথা নত করতে বাধ্য হয়। এইভাবে নির্বাচনী সভায় তুমুল বাক-বিতণ্ডার পর শেষপর্যন্ত কোনিকে বাংলার দলে নেওয়া হয়েছিল।
কোনি উপন্যাসের প্রশ্ন উত্তর
সাহিত্য সঞ্চয়নের প্রশ্নোত্তর
| প্রশ্নোত্তরের বিষয় | LINK |
|---|---|
| জ্ঞানচক্ষু | Click Here |
| অসুখী একজন | Click Here |
| আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি | Click Here |
| আফ্রিকা | Click Here |
| বহুরূপী | Click Here |
| অভিষেক | Click Here |
| সিরাজদৌল্লা | Click Here |
| প্রলয়োল্লাস | Click Here |
| পথের দাবী | Click Here |
| অদল বদল | Click Here |
| সিন্ধুতীরে | Click Here |
| বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান | Click Here |
| অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান | Click Here |
| নদীর বিদ্রোহ | Click Here |

