নবম শ্রেণির বাংলা পাঠ্য ‘কবিকঙ্কণ’ মুকুন্দ (বা মুকুন্দরাম) চক্রবর্তীর লেখা কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ কবিতা। আমরা এই পোস্টে কবিতাটি থেকে নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও তার উত্তর জেনে নেব। আমরা এখানে মূলত এককথায় ও ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর দেখব। MCQ উত্তরের জন্য আমাদের মক টেস্ট দাও। চলো, আমরা মূল আলোচনায় প্রবেশ করি। তবে কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতাটি সম্পর্কে জানার আগে আমাদের কবি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।
কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি – কবি পরিচয়
সমগ্র মধ্যযুগের সাহিত্যে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার কবি মুকুন্দ চক্রবর্তীর কৃতিত্ব অবিস্মরণীয়। তাঁর কাব্যের নাম ‘অভয়ামঙ্গল’ বা ‘অম্বিকামঙ্গল’। কাব্যটি ‘আখেটিক’ ও ‘বণিক’ এই দুটি খণ্ডে বিভক্ত।
কবির পিতামহের নাম জগন্নাথ মিশ্র, পিতা হৃদয় মিশ্র। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল অবিভক্ত বর্ধমানের দামিন্যা গ্রামে। কিন্তু ডিহিদার মামুদ শরিফের অত্যাচারে তাঁকে সাত পুরুষের বাসস্থান পরিত্যাগ করে অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার আড়রা গ্রামের ব্রাহ্মণ জমিদার বাঁকুড়া রায়ের আশ্রয় নিতে হয়। সেখানে বাঁকুড়া রায়ের পুত্র রঘুনাথের গৃহশিক্ষক হিসেবে নিযুক্তও হন। পরে বাঁকুড়া রায়ের দেহান্তে রাজ্যভার গ্রহণ করেন রঘুনাথ। এই রঘুনাথের সভাসদ রূপে অবস্থান কালে এবং তাঁর নির্দেশেই কবি তাঁর ‘অভয়ামঙ্গল’ রচনা করেন। কাব্যটি ১৫৭৭ খ্রিস্টাব্দে (মতান্তরে ১৫৪৪ খ্রিস্টাব্দ) রচিত বলে মনে করা হয়।
কবিতার বিষয়বস্তু
দ্রষ্টব্য – ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন নং ৬
ভিডিও টিউটোরিয়াল
আগ্রহী ছাত্রছাত্রী কবি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে আমাদের ইউটিউব ভিডিও দেখে নিতে পারো। কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি ভিডিও দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক কর। অন্যান্য রচনার তথ্য পেতে ক্লিক কর।
কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি – শব্দার্থ
- কৈল = করিল
- ঈশান = শিব / উত্তর-পূর্ব কোণ
- চিকুর = কেশ / বিদ্যুৎ
- নিমিষেকে = পলকে
- চারি মেঘে = চার প্রকার মেঘ, যাদের নাম ‘সম্বর্ত’, ‘আবর্ত’, ‘পুষ্কর’ ও ‘দ্রোণ’। পুরাণমতে এদের জন্ম ব্রহ্মার ঔরসে।
- রড় = দৌড়
- হরিত = সবুজ
- অষ্ট গজরাজ = ঐরাবত, পুণ্ডরীক, বামন, কুমুদ, পুষ্পদন্ত, সর্বভৌম, অঞ্জন ও সুপ্রতীক। এদের মধ্যে ঐরাবত দেবরাজ ইন্দ্রের বাহন হিসেবে পরিচিত।
- বেঙ্গ-তড়কা বাজ = ব্যাঙের মতো লাফিয়ে পড়া
- পরিচ্ছিন্ন = পৃথক
- সোঙরে = স্মরণ করে
- জৈমিনি = মহাভারত প্রণেতা বেদব্যাসের শিষ্য। ইনিই পূর্ব মীমাংসা দর্শনের প্রণেতা। তাছাড়া বজ্রনিবারক হিসেবে খ্যাত।
- পূর্বমীমাংসা – বেদান্তের অংশ। এটি প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য বেদ ব্যাখ্যায় সাহায্য করা।
- বুলে = ভাসে
- আছুক = পড়ে থাক
- হেজ্যা = নষ্ট (হেজিয়া > হেজ্যা > হেজে)
- বীর হনুমান = বায়ু ও বানরী অঞ্জনার পুত্র। রামভক্ত হিসেবে সুবিদিত।
- অম্বিকা = দেবী দুর্গার অপর নাম। ধৃতরাষ্ট্রের মাতা।
- কবিকংকণ = মুকুন্দ চক্রবর্তীর উপাধি।
এককথায় প্রশ্নোত্তর
১. কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতাটির উৎস নির্দেশ কর।
উঃ চণ্ডীমঙ্গল কাব্য, আখেটিক খণ্ড
২. ‘দেখিতে না পায় কেহ’ – কী দেখতে না পাবার কথা বলা হয়েছে ?
উঃ অঙ্গ আপনার
৩. সঘন চিকুর সহ মেঘ কোন কোণে দেখা দিয়েছে ?
উঃ ঈশান কোণে
৪. ঈশান কোণ বলতে কোন কোণকে বোঝানো হয় ?
উঃ উত্তর-পূর্ব কোণ
৫. ‘——- পবনে মেঘ ডাকে দূর দূর’ – শূন্যস্থানে সঠিক শব্দটি বসাও।
উঃ উত্তর
৬. ‘নিমিষেকে জোড়ে মেঘ গগন-মণ্ডল’ – ‘নিমিষেকে’ শব্দটির অর্থ কী ?
উঃ মুহূর্তে
৭. মেঘ কোথায় উড়ে গিয়ে উচ্চনাদে ডাক দেয় ?
উঃ কলিঙ্গে
৮. ‘——- গণিয়া প্রজা ভাবয়ে বিষাদ’ – শূন্যস্থান পূরণ কর।
উঃ প্রলয়
৯. ‘ঘন ঝড়’ বওয়ার প্রসঙ্গে কবি কোন শব্দগুচ্ছের ব্যবহার করেছেন ?
উঃ হুড় হুড় দুড় দুড়
১০. ‘বিপাকে ভবন ছাড়ি প্রজা দিল রড়’ – ‘রড়’ শব্দটির অর্থ কী ?
উঃ দৌড়
১১. প্রজারা ‘চমকিত’ হয় কারণ –
উঃ শস্যের উলটে পড়া
১২. ‘জলে —— একাকার পথ হইল হারা’ – শূন্যস্থান পূরণ কর।
উঃ মহী
১৩. ঘন ঘন কীসের আওয়াজ শোনা যায় ?
উঃ মেঘের গর্জনের
১৪. নিরবধি বৃষ্টি পড়া প্রসঙ্গে কবি কোন তিনটি শব্দের প্রয়োগ করেছেন ?
উঃ সন্ধ্যা, দিবস ও রজনী
১৫. ‘কলিঙ্গে সোঙরে সকল লোক’ – ‘সোঙরে’ শব্দের অর্থ কী ?
উঃ স্মরণ করে
১৬. কলিঙ্গের লোকেরা কাকে স্মরণ করে ?
উঃ জৈমিনিকে
১৭. ‘না পায় দেখিতে কেহ’ – সকলে কী দেখতে পাচ্ছেন না ?
উঃ রবির কিরণ
১৮. জলে কী ভেসে বেড়াবার কথা বলা হয়েছে ?
উঃ ভুজঙ্গ বা সাপ
১৯. কলিঙ্গদেশে নিরবধি কতদিন বৃষ্টি হয়েছে ?
উঃ সাতদিন
২০. ‘আছুক শস্যের কার্য’ – এখানে ‘আছুক’ শব্দটির অর্থ কী ?
উঃ পড়ে থাক
২১. কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতায় কোন মাসের উল্লেখ রয়েছে ?
উঃ ভাদ্র
২২. কে চণ্ডীর আদেশ পান ?
উঃ বীর হনুমান
২৩. ‘অম্বিকামঙ্গল’ আসলে কী ?
উঃ চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
২৪. ‘অম্বিকামঙ্গল’ কার লেখা ?
উঃ মুকুন্দ চক্রবর্তীর
২৫. কবি মুকুন্দ চক্রবর্তীর উপাধি কী ?
উঃ কবিকঙ্কণ
ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর
১. “চারি মেঘে জল দেয় অষ্ট গজরাজ।” – উদ্ধৃতাংশটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।
উঃ কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তী রচিত কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতায় দেবী চণ্ডীর নির্দেশে কলিঙ্গ দেশে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে আসে। ঘন কালো মেঘে আকাশ ঢেকে যায়। প্রবল মেঘ-গর্জনে প্রজারা চিন্তিত হয়ে পড়ে। এই বিপর্যয়ে তারা সব ঘর ছেড়ে দৌড় দেয় নিরাপদ আশ্রয়ে। সবুজ শস্যের খেত ধুলোয় ঢেকে যায়, শস্য উলটে পড়ে। বৃষ্টি এতটাই তীব্র আকার ধারণ করে যে, মনে হয় অষ্ট গজরাজ অর্থাৎ আটটি হাতি (ঐরাবত, পুণ্ডরীক, বামন, কুমুদ, অঞ্জন,পুষ্পদন্ত, সার্বভৌম এবং সুপ্রতীক) যেন তাদের শুঁড়ের সাহায্যে চারমেঘে জল দিচ্ছে। আর তার ফলেই প্রবল বৃষ্টিপাতে চারপাশ জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।
২. “কলিঙ্গে সোঙরে সকল লোক যে জৈমিনি।” – জৈমিনি কে ? কলিঙ্গে সকলে জৈমিনিকে স্মরণ করে কেন ?
উঃ কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতায় উল্লেখিত জৈমিনির পরিচয় হল, তিনি পৌরাণিক বাক্সিদ্ধ ঋষি। তাঁর নাম স্মরণ করলে বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এই প্রচলিত বিশ্বাসে বজ্রপাতের সময় মানুষ তাঁর নাম স্মরণ করে।
দেবী চণ্ডীর প্রকোপে কলিঙ্গ দেশের আকাশে হঠাৎ ঘন কালো মেঘ জমে ওঠে। মেঘের ভয়ঙ্কর রূপ, গম্ভীর গর্জন আর ঘনঘন বজ্রপাত শুরু হয়। বজ্রের প্রবল তাণ্ডবে ভীত কলিঙ্গবাসী এই মহাবিপদ থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় ঋষি জৈমিনির স্মরণ করতে থাকে।
৩. “না পায় দেখিতে কেহ রবির কিরণ।” – কাদের কথা বলা হয়েছে ? তারা কেন রবির কিরণ দেখতে পায় না ?
উঃ ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি’ কবিতা থেকে গৃহীত এই অংশটিতে ঝড়বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কলিঙ্গবাসীর কথা বলা হয়েছে।
কলিঙ্গদেশের আকাশে আচমকা ব্যাপকভাবে মেঘ জমাট বাঁধে। সেই সঙ্গে বিদ্যুতের ঝলক আর প্রবল ঝড়ে সমগ্র কলিঙ্গদেশ বিপর্যস্ত। মেঘের গম্ভীর আওয়াজের সঙ্গে শুরু হয় মুষলধারায় বৃষ্টি। কালো মেঘে সমগ্র কলিঙ্গ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কলিঙ্গাবাসী দিন ও রাত্রির পার্থক্যও বুঝতে পারে না। এভাবে সাত দিন একটানা প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে তারা সূর্যের আলো দেখতে পায় না।
৪. “প্রলয় গণিয়া প্ৰজা ভাবয়ে বিষাদ।” – প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রজাদের বিষাদের কারণ আলোচনা করো।
উঃ ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি’ কবিতা থেকে গৃহীত এই অংশটিতে কলিঙ্গ দেশের প্রজাদের কথা বলা হয়েছে।
কলিঙ্গদেশের আকাশে হঠাৎ প্রচুর মেঘ জমাট বাঁধে। ঈশান কোণে জমে ওঠা ঘনকালো মেঘ সারা আকাশ ঢেকে ফেলে। সর্বত্র অন্ধকার নেমে আসে। উত্তরের প্রবল বাতাসে দূর থেকে মেঘের গম্ভীর আওয়াজ ভেসে আসে। মেঘের প্রবল গর্জন ও ঘনঘন বিদ্যুৎচমকের সঙ্গে শুরু হয় প্রবল বৃষ্টিপাত। এরকম পরিস্থিতিতে মহাপ্লাবনের আশঙ্কায় কলিঙ্গের প্রজারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তারা প্রলয়ের আশঙ্কায় বিষাদগ্রস্ত হয়।
৫. “পরিচ্ছিন্ন নাহি সন্ধ্যা দিবস রজনী।” – ‘পরিচ্ছিন্ন’ শব্দের অর্থ কী ? কবি এরকম বলেছেন কেন ?
উঃ কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তীর লেখা কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতায় প্রাপ্ত ‘পরিচ্ছিন্ন’ শব্দটির অর্থ হল পৃথক।
দেবী চণ্ডীর প্রকোপে কলিঙ্গদেশে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। সমগ্র আকাশ মেঘে পূর্ণ হয়ে যায়। বিদ্যুৎ চমক আর মেঘ-গর্জনের সঙ্গে শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। সেখানকার প্রজারা ভয় পেয়ে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। সবুজ শস্যের খেত ধুলোয় ঢেকে যায়। প্রবল বৃষ্টিতে জলে ডুবে যায় চারপাশ। জল-স্থল একাকার হয়ে যায়। মেঘের গর্জনে কেউ কারোর কথা শুনতে পায় না। অন্ধকার এতটাই ঘন হয়ে যায় যে দিন ও রাত্রিকেও কেউ পৃথক করতে পারে না।
৬. কবিতায় বর্ণিত প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের যে ছবি পাওয়া যায় তা নিজের ভাষায় বর্ণনা কর।
উঃ দেবী চণ্ডীর কৃপায় ব্যাধ কালকেতু গুজরাট নগর নির্মাণ করে। কিন্তু সেখানে প্রজা না থাকায় দেবী চণ্ডী পার্শ্ববর্তী কলিঙ্গ দেশে প্রবল প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি করেন। আলোচ্য ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি’ কবিতায় আমরা তার পূর্বাপর বর্ণনা পাই।
কবিতায় আমরা দেখি, সমগ্র কলিঙ্গ দেশে আকাশ ঘন কালো মেঘে আবৃত হয়ে গেছে। তার ফলে কেউ কারো মুখ দেখতে পায় না। ঈশাণ কোণ জুড়ে কালো মেঘ আর বিদ্যুতের ভয়াবহ চমক। কবি লিখেছেন – ‘ঈশানে উড়িল মেঘ সঘনে চিকুর’। উত্তর দিক থেকে প্রবল বাতাস বইছে, কালো মেঘে সমস্ত আকাশ ঢেকে গেছে। তারপর শুরু হয় চার প্রকার মেঘের সম্মিলিত বৃষ্টিপাত। মেঘের প্রবল গর্জনে কলিঙ্গের প্রজারা প্রলয়ের কথা ভেবে আশঙ্কিত হয়। ঝড়ের তাণ্ডবে তারা আপন গৃহ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।
প্রচণ্ড ঝড়ের কারণে পথের ধুলো সমস্ত সবুজ গাছপালা ঢেকে দেয়। প্রজাদের মজুত করা শস্য উলটে পড়ে যায়। চার প্রকার মেঘ যেন অষ্ট গজরাজের সহায়তায় কলিঙ্গে প্রবল বৃষ্টি বর্ষণ করে। ঘন ঘন বাজ পড়ে যেন ‘বেঙ্গ-তড়কা বাজ’। কলিঙ্গের জল-স্থল সব একাকার হয়ে যায়। মানুষ জন পথ হারিয়ে ফেলে। গর্ত থেকে সাপ বেরিয়ে এসে জলে ভেসে বেড়ায়। প্রচণ্ড মেঘের গর্জনে কলিঙ্গবাসী নিজেদের কথাও শুনতে পায় না। দিন ও রাতের বিভেদ পর্যন্ত বোঝা যায় না। এর ফলে ভীত কলিঙ্গবাসী মহাপ্রলয় থেকে বাঁচার জন্য ঋষি জৈমিনিকে স্মরণ করে। এইভাবে একটানা সাত দিন বৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হয়ে যেতে থাকে। প্রজাদের ঘরের চাল ভেদ করে শিল পড়ে। তার আকার যেন ভাদ্র মাসের তালের মতো।
এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখে মনে হয় দেবী চণ্ডীর আদেশে বীর হনুমান কলিঙ্গের সমস্ত মঠ ও অট্টালিকা টুকরো টুকরো করে ভেঙে দিচ্ছেন। দেবীর আদেশেই সমস্ত নদ-নদী কলিঙ্গের দিকে ধাবিত হয়ে পর্বতসম ঢেউ তৈরি করে। ঘরগুলো সব দলমল করে।
এইভাবে কবি কলিঙ্গ দেশের ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের চিত্র তুলে ধরেছেন।
কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতার আলোচনা সম্পর্কে মন্তব্য লেখো।
মক টেস্ট দাও
অন্যান্য আলোচনা
| ধীবর বৃত্তান্ত |
| ইলিয়াস |
| নব নব সৃষ্টি |
| হিমালয় দর্শন |
| নোঙর |
| আকাশে সাতটি তারা |
| খেয়া |
| আবহমান |
| দাম |
| চিঠি |
| আমরা |
| নিরুদ্দেশ |
| রাধারাণী |
| চন্দ্রনাথ |


Ok