You are currently viewing ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (প্রোফেসর শঙ্কু) | নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্ন উত্তর

ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (প্রোফেসর শঙ্কু) | নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্ন উত্তর

নবম শ্রেণির বাংলা বিষয়ে আমরা আজ নিয়ে এসেছি তোমাদের সহায়ক পাঠ প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রি থেকে ব্যোমযাত্রীর ডায়রি রচনার প্রশ্ন ও উত্তর। আমরা ছোটো ছোটো প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তরেও নজর দেব। আশা করি আলোচনাটি তোমাদের সহায়ক হবে। তোমাদের সাহিত্য সঞ্চয়ন গ্রন্থের সমস্ত আলোচনাগুলি পেতে একেবারে নীচে দেওয়া তালিকা দেখ।

ব্যোমযাত্রীর ডায়রি – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

১. বক্তা প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা কার কাছ থেকে পেয়েছিলেন ? তাঁর পরিচয় কী ?

উঃ বক্তা প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা পেয়েছিলেন তারক চাটুজ্জ্যের কাছ থেকে। তারক বাবু একটু আধটু গল্প লিখতেন। ভদ্রলোক ছিলেন গরীব। গল্প লিখে পাঁচ দশ টাকা পেতেন বক্তার কাছ থেকে।

২. প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা কী রঙের ছিল ? ডায়রিটা সম্পর্কে কোন বিশেষণ প্রয়োগ করা হয়েছিল ?

উঃ প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা ছিল লাল রঙের। ডায়রিটা সম্পর্কে যে বিশেষণ প্রয়োগ করা হয়েছিল তা হল ‘গোল্ড মাইন’।

৩. প্রোফেসর শঙ্কু কতদিন নিরুদ্দেশ বলে শোনা যায় ? তাঁর সম্পর্কে আর কী শোনা যায় ?

উঃ প্রোফেসর শঙ্কু পনেরো বছর ধরে নিরুদ্দেশ বলে শোনা যায়। তাঁর সম্পর্কে কেউ বলেন, তিনি নাকি কোন এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

৪. ‘কোন ব্যাপারটার কথা বলছেন ?’ – বক্তা কে ? ব্যাপারটি কী ছিল ?

উঃ ব্যোমযাত্রীর ডায়রি রচনায় উদ্ধৃত উক্তিটির বক্তা স্বয়ং কথক। এখানে উল্কাপাতের কথা বলা হয়েছে।

৫. উল্কাপাত কোথায় হয়েছিল ? তার আকার কেমন ছিল ?

উঃ উল্কাপাত হয়েছিল সুন্দরবনের মাথারিয়া অঞ্চলে। তার আকার ছিল কলকাতার জাদুঘরে থাকা উল্কার আকারের দ্বিগুণ।

৬. প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল ?

উঃ সুন্দরবনে উল্কাপাতের ফলে যে গর্ত তৈরি হয়েছিল সেই গর্তের মাঝখান থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা।

৭. কথক কত টাকার টাকার বিনিময়ে কার কাছ থেকে প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা নিয়েছিলেন ?

উঃ কথক কুড়ি টাকার টাকার বিনিময়ে তারক চাটুজ্জ্যের কাছ থেকে প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা নিয়েছিলেন।

৮. ব্যোমযাত্রীর ডায়রি রচনায় উল্লেখিত ‘চলন্তিকা’ কী ?

উঃ চলন্তিকা হল রাজশেখর বসু কৃত বাংলা অভিধান।

৯. প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিতে কালির রঙ কীভাবে পাল্টেছিল ?

উঃ প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিতে প্রথমে কালির রঙ ছিল সবুজ। এরপর তা হয় লাল। লাল থেকে নীল এবং নীল হয়ে যায় হলদে।

১০. প্রোফেসর শঙ্কুর খাতাটা কতক্ষণ উনুনে ফেলে রাখা হয়েছিল ? এর ফলে কী হয়েছিল ?

উঃ প্রোফেসর শঙ্কুর খাতাটা উনুনে ফেলে রাখা হয়েছিল পাঁচ ঘণ্টা। এর ফলে খাতার কোন ক্ষতি হয়নি। শুধু আগের মতই ‘স্বাভাবিক নিয়মে’ রঙ বদলে যাচ্ছিল।

১১. প্রোফেসর শঙ্কুর ভৃত্যের নাম কী ? সে কতদিন শঙ্কুর সঙ্গে আছে ?

উঃ প্রোফেসর শঙ্কুর ভৃত্যের নাম প্রহ্লাদ। সে সাতাশ বছর শঙ্কুর সঙ্গে আছে।

১২. “ওকে একটু শিক্ষা দেওয়া দরকার” – কাকে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল ?

উঃ এখানে শঙ্কুর ভৃত্য প্রহ্লাদকে শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তার ওপর স্নাফ গান বা নস্যাস্ত্র প্রয়োগ করা হয়েছিল। যার ফলে প্রহ্লাদের হাঁচি সৃষ্টি হয়। এবং তা তেত্রিশ ঘণ্টার আগে বন্ধ হবার নয়।

১৩. শঙ্কুর কাছে কে কত টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়েছিল ?

উঃ শঙ্কুর কাছে অবিনাশবাবু পাঁচশো টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়েছিল।

১৪. অবিনাশ বাবু কী কারণে শঙ্কুর কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়েছিল ?

উঃ শঙ্কুর সৃষ্ট রকেট পড়ে অবিনাশবাবুর মূলোর ক্ষেত নষ্ট হবার কারণে তিনি এই ক্ষতিপূরণ দাবী করেছিলেন।

১৫. প্রোফেসর শঙ্কু তাঁর ডায়রিতে অবিনাশবাবুর ক্ষতিপূরণ চাওয়ার কথা কত তারিখে লিপিবদ্ধ করেছেন ?

উঃ অবিনাশবাবুর ক্ষতিপূরণ চাওয়ার কথা ২ রা জানুয়ারি লিপিবদ্ধ করেছেন প্রোফেসর শঙ্কু তাঁর ডায়রিতে।

১৬. ভৃত্য প্রহ্লাদ সম্পর্কে শঙ্কুর ধারণা কেমন ?

উঃ প্রহ্লাদ একটু বোকা হলেও যে সাহসী তা জানেন শঙ্কু।

১৭. প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিতে ৫ই জানুয়ারি কোন সম্ভাব্য ভয়ংকর দুর্ঘটনার কথা আছে ?

উঃ একটি টিকটিকি বাইকর্নিক অ্যাসিডের শিশির উপর পড়লে শিশি উলটে সমস্ত অ্যাসিড গড়িয়ে চলে প্যারাডক্সাইট পাউডারের দিকে। দুটির সংযোগ হলে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।

১৮. ‘ওজনেও কুলিয়ে যাবে’ – কার কত ওজন এই প্রসঙ্গে বলা হয়েছে ?

উঃ ব্যোমযাত্রীর ডায়রি রচনায় প্রোফেসর শঙ্কু সৃষ্ট রকেটটি ওজন বহন করতে পারে কুড়ি মন পর্যন্ত। রকেটে যারা যাবেন তাদের ওজন এরকম – প্রহ্লাদের ওজন দুই মন সাত সের, শঙ্কুর ওজন এক মন এগারো সের, বিধুশেখরের ওজন সাড়ে পাঁচ মন। আর জিনিসপত্রের ওজন পাঁচ মন মত।

১৯. “এ বড়িই হলো আমার নতুন অস্ত্র।” – কোন বড়ির কথা বলা হয়েছে ? ‘নতুন অস্ত্র’টি কী কাজ করে ?

উঃ এখানে মহাভারতের জৃম্ভণাস্ত্রর অনুকরণে আবিষ্কৃত শঙ্কুর একটি বড়ির কথা বলা হয়েছে। এই বড়ির প্রভাবে বারে বারে হাই উঠবে এবং গভীর ঘুম হবে। আর ঘুমের মধ্যে অসম্ভব রকমের স্বপ্ন দেখা যাবে।

২০. ‘Fish Pill’ কাকে খাওয়ানো হয়েছিল ? এই পিলের উপকারিতা কী ?

উঃ ‘Fish Pill’ খাওয়ানো হয়েছিল প্রোফেসর শঙ্কুর পোষা বিড়াল নিউটনকে। এই পিল খাওয়ালে ১টি পিলে সাতদিনের খিদে মিটে যায়।

২১. রকেটের পরিকল্পনা করার সময় কোন রাসায়নিকে বিধুশেখরের না ছিল ? আর কোন রাসায়নিকে সে সম্মতি জানিয়েছিল ?

উঃ রকেটের পরিকল্পনা করার সময় বিধুশেখর আপত্তি জানিয়েছিল ট্যানট্রাম বোরোপ্যাক্সিনেটে। আর সম্মতি জানিয়েছিল ভেলোসিলিকায়।

২২. বিধুশেখরের কলকবজা খুলে পরীক্ষা করা হয়েছিল কবে ?

উঃ ১১ই জানুয়ারি।

২৩. কোন দুটো মাসে বেশি উল্কাপাত দেখা যায় ? এই সময় রোজ কতগুলি উল্কাপাত দেখা যেতে পারে বলে শঙ্কু জানিয়েছেন ?

উঃ আশ্বিন কার্তিক মাসে বেশি উল্কাপাত দেখা যায়। এই সময় রোজ আট দশটা উল্কাপাত দেখা যেতে পারে বলে শঙ্কু জানিয়েছেন।

২৪. কত বছর আগে উল্কাপাতে শঙ্কুর কোন গাছে পরিবর্তন এসেছিল ?

উঃ বারো বছর আগে উল্কাপাতে শঙ্কুর গোলঞ্চ গাছে পরিবর্তন এসেছিল।

২৫. শঙ্কু কবে কখন মঙ্গলযাত্রায় বেরোবেন ?

উঃ শঙ্কু ১৩ই জানুয়ারি ভোর পাঁচটায় মঙ্গলযাত্রায় বেরোবেন।

২৬. মঙ্গলযাত্রায় যাত্রীসহ শঙ্কুদের ওজন কত হয়েছিল ?

উঃ মঙ্গলযাত্রায় যাত্রীসহ শঙ্কুদের ওজন হয়েছিল পনেরো মন বত্রিশ সের তিন ছটাক।

২৭. মঙ্গলগ্রহটাকে বাতাবি লেবুর মত লাগছিল কবে ?

উঃ মঙ্গলগ্রহটাকে বাতাবি লেবুর মত লাগছিল ২৫ শে জানুয়ারি।

২৮. ব্যোমযাত্রীর ডায়রি পাঠ্যানুসারে মঙ্গলে গাছপালা ও আকাশের রঙ কেমন ছিল ?

উঃ মঙ্গলে গাছপালার রঙ ছিল সবুজের বদলে নীল আর আকাশের রঙ ছিল সবুজ।

২৯. মঙ্গলের জীবগুলি দেখতে কেমন ছিল ?

উঃ মঙ্গলের জীবগুলি মানুষও নয়, জন্তুও নয় আবার মাছও নয়। কিন্তু এই তিনের সংমিশ্রণ।

৩০. মঙ্গল থেকে শঙ্কুরা কোথায় গিয়েছিলেন ? সেখানকার জীবেরা দেখতে কেমন ছিল ?

উঃ মঙ্গল থেকে শঙ্কুরা টাফা নামক একটা গ্রহে গিয়েছিলেন। সেখানকার জীবেরা দেখতে ছিল কতকটা পিঁপড়ের মতো।

৩১. টাফার অবস্থা এবং অধিবাসীরা কেমন ছিল ?

উঃ টাফার অবস্থা ছিল পৃথিবীর থেকে আদিম। সেখানকার অধিবাসীরা সকলেই উচ্চ শিক্ষিত।

৩২. ব্যোমযাত্রীর ডায়রি কোন পত্রিকায় কোন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল ?

উঃ ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ ‘সন্দেশ’ পত্রিকায় ১৯৬৮ বঙ্গাব্দের কার্তিক অগ্রহায়নে প্রকাশিত হয়েছিল।

ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর

১. প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা কীভাবে তারক চাটুজ্জ্যের হাতে এল তার বর্ণনা দাও।

গল্পের শুরুতেই তারক চাটুজ্জ্যের বর্ণনা থেকে জানা যায় যে, সুন্দরবনের মাথারিয়া অঞ্চলে বছর খানেক আগে একটা উল্কাখণ্ড পড়েছিল। তার আকার বেশ বড়ো। সেই উল্কাপাতের ফলে সেখানে অনেক জন্তু-জানোয়ার মারা যায়। তারকবাবু সেখানে গিয়েছিলেন বাঘছাল সংগ্রহের আশায়। বাঘছালে নাকি ভালো দর পাওয়া যায়। কিন্তু সেখানে পৌঁছাতে তার দেরী হয়ে যায়। ফলে আশাহত তারকবাবুকে অগত্যা গোসাপের ছাল নিয়ে ফিরে আসতে হয়। সেই সঙ্গে নিয়ে আসেন শঙ্কুর খাতাটিও। খাতাটি পড়েছিল উল্কা-পড়া গর্তের মাঝখানে। উল্কার পাথরটির খুব কাছেই মাটির মধ্যে লাল কিছু একটা পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। তারপর সেটাকে টেনে তুলে দেখেন একটা ডায়রি যাতে লেখা ছিল প্রোফেসর শঙ্কুর নাম। এইভাবেই তিনি শঙ্কুর ডায়রিটা উদ্ধার করেন।

২. আলোচ্য পাঠ্যে মঙ্গল গ্রহের যে বর্ণনা পাওয়া যায় তা নিজের ভাষায় লেখো।

উঃ ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ পাঠ্যে আমরা মঙ্গল গ্রহের কিছু বর্ণনা পাই। প্রোফেসর শঙ্কুর দেওয়া বর্ণনা অনুসারে আমরা দেখি মঙ্গল গ্রহের গাছপালা, মাটি, পাথর সবই যেন নরম রবারের মতো। নরম পাথরের ঢিপির রঙ হলুদ। সেখানে বয়ে চলে লাল রঙের নদী। নদীর জল স্বচ্ছ পেয়ারা জেলির মতো। স্বাদে যেন অমৃত। সেখানকার পরিবেশ থমথমে। নদীর জলের কুলকুল শব্দ ছাড়া আর কোনো শব্দ নেই। মঙ্গলের আবহাওয়া ঠিক ঠাণ্ডা নয় বরং গরমের দিকে। কিন্তু মাঝে মাঝে একটা ক্ষণস্থায়ী হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডা হাওয়া বয়ে যায়।

নতুন এই গ্রহে এসে শঙ্কু এক বিচিত্র গন্ধ পেয়েছিলেন – তা গাছপালা কিংবা জল-মাটির নয়। শঙ্কুর কথায় তা মঙ্গলগ্রহেরই গন্ধ যা তার আবহাওয়ার সঙ্গে মিশে রয়েছে। সেখানে রয়েছে মানুষ, মাছ ও জন্তুর সংমিশ্রণে গঠিত একদল অদ্ভুত প্রাণি। প্রাণিগুলি হাত তিনেক লম্বা, মাছের মতো ডানা, বিরাট তাদের মাথা আর দন্তহীন হাঁ। মাঝখানে প্রকাণ্ড সবুজ চোখ আর সর্বাঙ্গ মাছের আঁশে ঢাকা। সকালের রোদে তা যেন চিকচিক করছে। তাদের মুখ দিয়ে বিকট শব্দ বেরিয়ে আসে – ‘তিন্তিড়ি’, ‘তিন্তিড়ি’।

৩. আলোচ্য ব্যোমযাত্রীর ডায়রি পাঠ্য অনুসারে টাফার বর্ণনা দাও।

উঃ ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ রচনায় আমরা টাফা নামক একটি গ্রহের কথা পাই। গ্রহটি এক অবিশ্বাস্য জগতের মধ্যে অবস্থিত। তার সর্বাঙ্গে যেন অসংখ্য জোনাকি জ্বলছে আর নিবছে। সেখানকার আকাশে কেবল সোনার বুদবুদ ফুটছে যেন। সেখানে চিত্তাকর্ষক আলোর আতসবাজির উৎসব অনবরত চলে। যে জগতে ভয়ঙ্কর পাথরের অগ্নিপিণ্ডও বিচরণ করে।

বিধুশেখরের কথা থেকে জানা যায় টাফাতেই নাকি সৌরজগতের প্রথম সভ্য লোকেরা বাস করে। পৃথিবীর সভ্যতার চেয়ে সেখানকার সভ্যতা কয়েক কোটি বছরের পুরনো। সেখানকার প্রত্যেক বাসিন্দাই বৈজ্ঞানিক ও প্রখর বুদ্ধিমান। তাই কয়েক বছর থেকে তারা অন্যান্য সব গ্রহ থেকে কমবুদ্ধি লোক বেছে টাফায় আনিয়ে বসবাস করাচ্ছে।

কিন্তু টাফায় পৌঁছে প্রফেসর শঙ্কু বুঝতে পারেন যে টাফাবাসীরা আসলে মানুষের মতো নয়। তারা অতিকায় পিঁপড়ে জাতীয়। তাদের বিরাট মাথা, আর চোখ, কিন্তু সেই অনুপাতে হাত-পা সরু। তাদের ঘরবাড়ি কিছু নেই, এমনকি সেখানে গাছপালাও নেই। এরা গর্ত দিয়ে মাটির ভিতর ঢুকে যায় এবং সেখানেই বসবাস করে। তবে টাফাবাসীরা প্রোফেসর শঙ্কু ও তাঁর সঙ্গীদের থাকার যথাযথ আয়োজন করে, তাদের যত্ন করে।

ব্যোমযাত্রীর ডায়রি প্রশ্ন উত্তর সম্পর্কে তোমাদের কমেন্ট লেখো


সাহিত্য সঞ্চয়নের প্রশ্ন ও উত্তর

কলিঙ্গ দেশে ঝড়-বৃষ্টি
ধীবর বৃত্তান্ত
ইলিয়াস
নব নব সৃষ্টি
হিমালয় দর্শন
নোঙর
আকাশে সাতটি তারা
আবহমান
খেয়া
ভাঙার গান
দাম
চিঠি
আমরা
নিরুদ্দেশ
রাধারাণী
চন্দ্রনাথ

Leave a Reply